মেঘলা মন

ভালবাসা, ভালবাসা আর ভালবাসা….. চারদিকে শুধু ভালবাসার জয়গান। তাই আপনাদের জন্য এবার নিয়ে এলাম ভালবাসার কিছু বিখ্যাত বাণীর সংকলন। এখান থেকে “বাণী সংকলন” নামে আলাদা একটা ক্যটাগরি চালু করা হল, আশা করি ঊপকৃত হব
print this page

স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি

স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি
আজ হয়তো তুমি অন্য কারো ,
কারো বুকে মাথা রেখে সুখের
স্বপ্ন বুনছ , আর আমি তোমার আর আমার ভেঙে যাওয়া
স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি , কারণ আমি এখন ও
পারিনি
তোমার মত করে ভুলে যেতে আমাদের স্বপ্ন গুলো ।
পারিনি
ভুলে যেতে তুমি নামের সেই অতীত টাকে ,

জানি না কোনদিন
পারবো কি না ।
এখন তোমার কথা ভাবতে গেলে বুকের মাঝে কেমন
যেন করে উঠে , একটা অজানা কষ্ট
আমাকে কিছুটা সময়ের
জন্য নীরব করে দেয় । তবুও চাই ভালো থেকো তুমি অন্য
কারো বুকেই সুখে থাক । আমি না হয় তোমার সুখ গুলো
দেখে বেঁচে থাকবো জীবনের বাঁকি দিন গুলো , তবুও
তোমার
মত মিথ্যে করে অন্য কাউ কে নাই বললাম ভালোবাসি
তোমায় ...
0 comments

স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি

স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি
আজ হয়তো তুমি অন্য কারো ,
কারো বুকে মাথা রেখে সুখের
স্বপ্ন বুনছ , আর আমি তোমার আর আমার ভেঙে যাওয়া
স্বপ্ন গুলোকে বুকের মাঝে পুষছি , কারণ আমি এখন ও
পারিনি
তোমার মত করে ভুলে যেতে আমাদের স্বপ্ন গুলো ।
পারিনি
ভুলে যেতে তুমি নামের সেই অতীত টাকে ,

জানি না কোনদিন
পারবো কি না ।
এখন তোমার কথা ভাবতে গেলে বুকের মাঝে কেমন
যেন করে উঠে , একটা অজানা কষ্ট
আমাকে কিছুটা সময়ের
জন্য নীরব করে দেয় । তবুও চাই ভালো থেকো তুমি অন্য
কারো বুকেই সুখে থাক । আমি না হয় তোমার সুখ গুলো
দেখে বেঁচে থাকবো জীবনের বাঁকি দিন গুলো , তবুও
তোমার
মত মিথ্যে করে অন্য কাউ কে নাই বললাম ভালোবাসি
তোমায় ...
0 comments

কিভাবে প্রেম হবে

 কিভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হবে, কিভাবে বিয়ে করতে হবে সব কিছুই নিয়েই তো ব্যাপক
কিভাবে প্রেম হবে

আলোচনা(!) হলো! এখন সমস্যা হচ্ছে, আমাদের বাবা মায়েরা তো ছেলেমেয়েদেরকে প্রেম করতে দিতেই চান না! আসলে কী জানেন? ছেলেমেয়েদের প্রেম করতে দিলে কিন্তু কিন্তু বাবামায়েদেরই লাভ! কিভাবে? বলছি,
নেপোলিয়ন কী বলেছিলেন মনে আছে তো? নেপোলিয়ন বলেছিলেন, “তোমরা আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো।”
সময় বদলে গেছে। এযুগের ছেলেমেয়েদের ধ্যানজ্ঞান হচ্ছে গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড। তাই নতুন করে বলি, “তোমরা আমাকে একজন ভালো গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড দাও, আমি তোমাদের একটি ভালো জাতি উপহার দেবো।”
একটু আগেই তো বললাম, কোনো বাবা মা চান না যে তাদের ছেলেমেয়ে প্রেম করুক, তার গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড থাকুক। গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড বিষয়টাকে খুব খারাপ চোখে দেখেন বাবা মায়েরা। ধরুন, কোনো বাবা মা যদি জানতে পারেন যে ছেলের গার্লফ্রেন্ড আছে, তখন তারা খুব রেগে যাবেন। বিভিন্নভাবে ছেলের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকবেন। মোবাইল কেড়ে নেবেন। স্পাই নিয়োগ করবেন। আরো কত কি! এতে বাবা মা এর সাথে ছেলের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাবে। ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে।
কিন্তু ছেলের এই গার্লফ্রেন্ডের কাছ থেকে বাবা মা ইচ্ছা করলে অনেক উপকার পেতে পারেন। গার্লফ্রেন্ডের মাধ্যমে বদলে দিতে পারেন ছেলের জীবন। যেমনঃ
প্রত্যেক গার্লফ্রেন্ড তার বয়ফ্রেন্ডকে বলবে, “তুমি সিগারেট খাবা না। যদি খাও তাহলেই ব্রেকআপ!”
এখন কোনো স্মোকার ছেলে যদি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয় কিংবা কোনো নন স্মোকার ছেলে যদি কখনো সিগারেট না খায়, তাহলে কত ভালো হবে! বাবা মা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।
আর গার্লফ্রেন্ডও বুঝতে পারবে যে তার বয়ফ্রেন্ড তাকে কত ভালোবাসে, তার কথার কত মূল্য দেয়!
যদি ছেলেটা তবুও সিগারেট খায়, তাহলে বুঝতে হবে ছেলেটা তার গার্লফ্রেন্ডের চাইতেও সিগারেটকে বেশি ভালোবাসে।
এখানে গার্লফ্রেন্ডের উপকারঃ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া বয়ফ্রেন্ডের আসল রূপ চিনতে পারবে। পরবর্তী জীবনের কষ্ট থেকে বেঁচে যাবে মেয়েটা।
বাবা মা এর উপকারঃ ছেলের গার্লফ্রেন্ড আর থাকছে না। অন্তত একদিক দিয়ে তারা চিন্তামুক্ত হতে পারবেন।
এভাবে আরো অনেকদিক দিয়ে সুফল পাওয়া সম্ভব। তাই গার্লফ্রেন্ডের নাম শুনলেই বাবা মায়ের রেগে যাওয়া উচিৎ না। বরং যাচাই বাছাই করে দেখা উচিৎ যে মেয়েটা কেমন। একটা ছেলের জীবনে একটা ভালো মেয়ের সুপ্রভাব অনেক অনেক অনেক বেশি।
আমাদের সমাজের সমস্যা হচ্ছে, আমরা আমাদের দুর্বল দিকগুলো জীবন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাই। অথচ, এই দুর্বল দিকগুলোকে ইচ্ছা করলে শক্তিতে পরিণত করা যায়। দুর্বলতা যখন শক্তিতে পরিণত হয়, তখন তা হয় দুর্ভেদ্য, স্বর্গীয়।
0 comments

কিভাবে প্রেম হবে

 কিভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হবে, কিভাবে বিয়ে করতে হবে সব কিছুই নিয়েই তো ব্যাপক
কিভাবে প্রেম হবে

আলোচনা(!) হলো! এখন সমস্যা হচ্ছে, আমাদের বাবা মায়েরা তো ছেলেমেয়েদেরকে প্রেম করতে দিতেই চান না! আসলে কী জানেন? ছেলেমেয়েদের প্রেম করতে দিলে কিন্তু কিন্তু বাবামায়েদেরই লাভ! কিভাবে? বলছি,
নেপোলিয়ন কী বলেছিলেন মনে আছে তো? নেপোলিয়ন বলেছিলেন, “তোমরা আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো।”
সময় বদলে গেছে। এযুগের ছেলেমেয়েদের ধ্যানজ্ঞান হচ্ছে গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড। তাই নতুন করে বলি, “তোমরা আমাকে একজন ভালো গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড দাও, আমি তোমাদের একটি ভালো জাতি উপহার দেবো।”
একটু আগেই তো বললাম, কোনো বাবা মা চান না যে তাদের ছেলেমেয়ে প্রেম করুক, তার গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড থাকুক। গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড বিষয়টাকে খুব খারাপ চোখে দেখেন বাবা মায়েরা। ধরুন, কোনো বাবা মা যদি জানতে পারেন যে ছেলের গার্লফ্রেন্ড আছে, তখন তারা খুব রেগে যাবেন। বিভিন্নভাবে ছেলের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকবেন। মোবাইল কেড়ে নেবেন। স্পাই নিয়োগ করবেন। আরো কত কি! এতে বাবা মা এর সাথে ছেলের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাবে। ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে।
কিন্তু ছেলের এই গার্লফ্রেন্ডের কাছ থেকে বাবা মা ইচ্ছা করলে অনেক উপকার পেতে পারেন। গার্লফ্রেন্ডের মাধ্যমে বদলে দিতে পারেন ছেলের জীবন। যেমনঃ
প্রত্যেক গার্লফ্রেন্ড তার বয়ফ্রেন্ডকে বলবে, “তুমি সিগারেট খাবা না। যদি খাও তাহলেই ব্রেকআপ!”
এখন কোনো স্মোকার ছেলে যদি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেয় কিংবা কোনো নন স্মোকার ছেলে যদি কখনো সিগারেট না খায়, তাহলে কত ভালো হবে! বাবা মা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।
আর গার্লফ্রেন্ডও বুঝতে পারবে যে তার বয়ফ্রেন্ড তাকে কত ভালোবাসে, তার কথার কত মূল্য দেয়!
যদি ছেলেটা তবুও সিগারেট খায়, তাহলে বুঝতে হবে ছেলেটা তার গার্লফ্রেন্ডের চাইতেও সিগারেটকে বেশি ভালোবাসে।
এখানে গার্লফ্রেন্ডের উপকারঃ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া বয়ফ্রেন্ডের আসল রূপ চিনতে পারবে। পরবর্তী জীবনের কষ্ট থেকে বেঁচে যাবে মেয়েটা।
বাবা মা এর উপকারঃ ছেলের গার্লফ্রেন্ড আর থাকছে না। অন্তত একদিক দিয়ে তারা চিন্তামুক্ত হতে পারবেন।
এভাবে আরো অনেকদিক দিয়ে সুফল পাওয়া সম্ভব। তাই গার্লফ্রেন্ডের নাম শুনলেই বাবা মায়ের রেগে যাওয়া উচিৎ না। বরং যাচাই বাছাই করে দেখা উচিৎ যে মেয়েটা কেমন। একটা ছেলের জীবনে একটা ভালো মেয়ের সুপ্রভাব অনেক অনেক অনেক বেশি।
আমাদের সমাজের সমস্যা হচ্ছে, আমরা আমাদের দুর্বল দিকগুলো জীবন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাই। অথচ, এই দুর্বল দিকগুলোকে ইচ্ছা করলে শক্তিতে পরিণত করা যায়। দুর্বলতা যখন শক্তিতে পরিণত হয়, তখন তা হয় দুর্ভেদ্য, স্বর্গীয়।
0 comments

মেয়েদের মন পাওয়ার টিপস ২

রেমিকাকে, আপনার মনের মানূষটিকে বিয়ের পূর্বে এবং বিশেষ করে বিয়ের পর ভালোবাসা দিয়ে

মেয়েদের মন পাওয়ার টিপস

আনন্দিত করুন, সারপ্রাইজ দিন, ভালোবাসায় নান্দনিকতার প্রয়োগ দেখানোর চেষ্টা করুন । আপনার একটু স্নেহে আপনার মনের মানুষটির মনে প্রেমের আগুন তৈরী হবে।আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার মনের মানুষটি আপনাকে নিয়ে গর্ব করবে, বলবে এ মানুষটিকে না পেলে হয়তো জীবনটাকেই অপরিপূর্ণ মনে হতো। বিয়ের পূর্বে এবং বিশেষ করে বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে রোমান্স, প্রেম, ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য একটু ক্রিয়েটিভিটি দেখান, জীবন অর্থবহ হয়ে উঠবে। এক ঘেয়েমি পরিহার করুন, শরীরের ভাষা বুঝতে হবে। মন এক ঘেয়েমি পছন্দ করে না। সূতরাং সাবধান হন। নয়তো ভালোবাসার হরমোন অক্সিটোসিন দানব হয়ে সব ভালোবাসা রূখে দাড়াবে।
প্রিয় পাঠক, আপনারা যদি চান তবে রেফারেন্স সহ ১০১ টি টিপস্ নিয়ে লিখতে চাই, বিশ্লেষন থাকবে আশা করছি, মতের অমিল হলে বলুন, তথ্য থাকলে জানাবেন।। শুভেচ্ছা রইলো।
0 comments

মেয়েদের মন পাওয়ার টিপস ২

রেমিকাকে, আপনার মনের মানূষটিকে বিয়ের পূর্বে এবং বিশেষ করে বিয়ের পর ভালোবাসা দিয়ে

মেয়েদের মন পাওয়ার টিপস

আনন্দিত করুন, সারপ্রাইজ দিন, ভালোবাসায় নান্দনিকতার প্রয়োগ দেখানোর চেষ্টা করুন । আপনার একটু স্নেহে আপনার মনের মানুষটির মনে প্রেমের আগুন তৈরী হবে।আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার মনের মানুষটি আপনাকে নিয়ে গর্ব করবে, বলবে এ মানুষটিকে না পেলে হয়তো জীবনটাকেই অপরিপূর্ণ মনে হতো। বিয়ের পূর্বে এবং বিশেষ করে বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে রোমান্স, প্রেম, ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য একটু ক্রিয়েটিভিটি দেখান, জীবন অর্থবহ হয়ে উঠবে। এক ঘেয়েমি পরিহার করুন, শরীরের ভাষা বুঝতে হবে। মন এক ঘেয়েমি পছন্দ করে না। সূতরাং সাবধান হন। নয়তো ভালোবাসার হরমোন অক্সিটোসিন দানব হয়ে সব ভালোবাসা রূখে দাড়াবে।
প্রিয় পাঠক, আপনারা যদি চান তবে রেফারেন্স সহ ১০১ টি টিপস্ নিয়ে লিখতে চাই, বিশ্লেষন থাকবে আশা করছি, মতের অমিল হলে বলুন, তথ্য থাকলে জানাবেন।। শুভেচ্ছা রইলো।
0 comments

মেয়েদের প্রপোজ করার নতুন স্টাইল ১০০% কাজ করবে


আমি তোমাকে ভালবাসি। তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে!!

২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ
প্রেম টিপস
আমি তোমাকে ভালবাসি

শোনো মেয়ে, আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমিকা না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই। - আমি তোমাকে ভালোবাসি।

৩. মাস্তানি স্টাইলঃ
ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি- না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে)

৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ
আমি তোমার ছোট ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল!!

৫. চালাক স্টাইলঃ
তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি??

৬. রসিক স্টাইলঃ
Excuse me! আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please অনুমতি দাও।

৭. হিজড়া স্টাইলঃ
এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়। আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা মরে যাই। তুমি কি জানো? আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি।

৮. ডিজুস স্টাইলঃ
Hi,whatsup sweet heart ? , wanna be maa lavaa,actually I am in love with u !

৯. ভীতু স্টাইলঃ
ইয়ে মানে!! ইয়ে মানে !!! আমি মানে ! আমি মানে তোমাকে ,……। ( আর বলা হয় না )

১০. গায়ক স্টাইলঃ
গানের গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন… “এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে? ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি, তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!”

১১. দেবদাস স্টাইলঃ
কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায় বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন)

১২. কাব্যিক স্টাইলঃ
কবি কবি ভাব থাকলে ২ লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !! আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাবহবে না!!

১৩. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ
তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়, তাহলে বল। তো আপনি কোন স্টাইলে করবেন?

0 comments
 
Rudra Das © 2014. মেঘলা মন? - I MISS YOU MONI
Template Created by রুদ্র দাস